পড়ে পাওয়া
গল্পের সারাংশ (Summary)
কালবৈশাখীর সময় কয়েকজন কিশোর বন্ধু আম কুড়াতে গিয়ে ঝড়ের মধ্যে একটি তালাবদ্ধ টিনের বাক্স খুঁজে পায়। প্রথমে বাক্স ভেঙে ভেতরের টাকা-গহনা নেওয়ার লোভ জাগলেও পরে তারা নৈতিকতার কথা ভেবে বাক্স ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তারা বিজ্ঞপ্তি লাগিয়ে প্রকৃত মালিককে খোঁজার চেষ্টা করে।
অনেক ভুয়া দাবিদার এলেও প্রকৃত মালিকের সন্ধান মেলে না। পরে বন্যায় সর্বস্ব হারানো এক দরিদ্র কাপালি ব্যক্তি এসে তার হারানো সবুজ টিনের বাক্সের কথা জানায়। তথ্য মিললে ছেলেরা বাক্সটি ফিরিয়ে দেয়। বাক্স ফিরে পেয়ে লোকটি আবেগে কেঁদে ফেলে। গল্পের শেষে লেখকের বাবা বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান। গল্পটি সততা, মানবতা ও নৈতিকতার জয় তুলে ধরে।
সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা
ঝড়ের দিনে কিছু ছেলে একটি বাক্স পায়। প্রথমে তারা লোভে পড়ে ভুল করতে চায়। কিন্তু পরে বুঝতে পারে এটি অন্যায়। তাই তারা সৎ পথে গিয়ে মালিককে খুঁজে বের করে বাক্স ফিরিয়ে দেয়। এতে প্রমাণ হয়—ভালো মানুষ হতে টাকা নয়, সততা দরকার।
মূলভাব / থিম (Theme)
এই গল্পের প্রধান মূলভাব হলো—
✔ সততা ও নৈতিকতা
লোভ থাকা সত্ত্বেও শিশুরা সৎ পথে থাকে।
✔ মানবিকতা ও সহানুভূতি
গরিব মানুষের কষ্ট উপলব্ধি করে তারা বাক্স ফেরত দেয়।
✔ নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব
শৈশবেই নৈতিক শিক্ষা মানুষকে মহান করে তোলে।
✔ সামাজিক দায়িত্ববোধ
পাওয়া জিনিস ফেরত দেওয়া নাগরিক দায়িত্ব—এই বার্তাই গল্পের মূল কথা।
চরিত্র বিশ্লেষণ
বিধু (নেতৃত্বের প্রতীক)
- দলের সবচেয়ে বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ
- নৈতিক সিদ্ধান্তে নেতৃত্ব দেয়
- দায়িত্বশীল ও সাহসী চরিত্র
উপসংহার: বিধু আদর্শ ছাত্র-নেতার প্রতীক।
বাদল (মানবিক ও আবেগপ্রবণ)
- প্রথমে লোভী হলেও পরে পরিবর্তিত হয়
- সততার পথে ফিরে আসে
- গল্পে মানবিক দ্বন্দ্ব প্রকাশ করে
কথক (লেখক চরিত্র)
- পর্যবেক্ষক ও বিবেকবান
- সত্য ও ন্যায়কে সমর্থন করে
- গল্পের আবেগ ও বাস্তবতা তুলে ধরে
কাপালি লোক (দুঃখী সমাজের প্রতিনিধি)
- দরিদ্র ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত
- তার কষ্ট গল্পের মানবিক দিক তুলে ধরে
- সমাজের নিপীড়িত শ্রেণির প্রতীক
বোর্ড পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন–উত্তর
- গল্পটির নাম কী এবং লেখক কে?
উত্তর: গল্পের নাম “পড়ে পাওয়া”, লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
- বাক্সটি কীভাবে পাওয়া যায়?
উত্তর: কালবৈশাখীর ঝড়ে আম কুড়াতে গিয়ে বাদল হোঁচট খেয়ে বাক্সটি খুঁজে পায়।
- ছেলেরা প্রথমে কী করতে চেয়েছিল?
উত্তর: তারা প্রথমে বাক্স ভেঙে ভেতরের টাকা ও গহনা নেওয়ার কথা ভেবেছিল।
- শেষে তারা কী সিদ্ধান্ত নেয়?
উত্তর: তারা বাক্সের প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করে ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- প্রকৃত মালিক কে ছিল?
উত্তর: বন্যায় সর্বস্ব হারানো অম্বরপুরের এক দরিদ্র কাপালি ব্যক্তি।
- গল্পটির শিক্ষা কী?
উত্তর: সততা, মানবতা ও নৈতিকতার পথই সর্বশ্রেষ্ঠ পথ।
- বিধুর ভূমিকা কী ছিল?
উত্তর: বিধু দলনেতা হিসেবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছে।
- লেখকের বাবা কেন অবাক হয়েছিলেন?
উত্তর: ছেলেদের সততা ও মানবিক আচরণ দেখে তিনি বিস্মিত হয়েছিলেন।
- গল্পটির লেখক কে?
উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
- গল্পের প্রধান চরিত্ররা কে?
উত্তর: বিধু, সিধু, নিধু, তিনু, বাদল এবং লেখক।
- গল্পের প্রধান ঘটনা কোন ঋতুতে ঘটে?
উত্তর: গ্রীষ্ম ও বর্ষার সংযোগকালে (কালবৈশাখীর সময়)।
- ছেলেরা কোথায় গিয়েছিল আম কুড়াতে?
উত্তর: নদীর ঘাটে।
- ঝড়ের আগমনের লক্ষণ কী ছিল?
উত্তর: পশ্চিম আকাশে ক্ষীণ মেঘের আওয়াজ।
- বিধু কেন জলে নামতে নিষেধ করেছিল?
উত্তর: ঝড়ের আশঙ্কায় বিপদ এড়াতে।
- ঝড় আসার পরে কেমন আবহাওয়া হয়?
উত্তর: কালো মেঘ, বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি ও ঠান্ডা হাওয়া।
- ছেলেরা কোন গাছের নিচে আম কুড়াতে যায়?
উত্তর: চাঁপাতলী গাছের নিচে।
- ঝড়ে আম কুড়ানো কেন জরুরি ছিল?
উত্তর: ঝড়ের পরে অন্যরা আম কুড়াতে এসে গেলে আর পাওয়া যাবে না।
- বাদল কীভাবে বাক্সটি খুঁজে পায়?
উত্তর: পথে হোঁচট খেয়ে পড়ে গিয়ে।
- বাক্সটি কেমন ধরনের ছিল?
উত্তর: ডবল টিনের তালাবদ্ধ ক্যাশ বাক্স।
- গ্রামে টিনের ক্যাশ বাক্স সাধারণত কী কাজে ব্যবহার হয়?
উত্তর: টাকা ও গহনা রাখার জন্য।
- প্রথমে ছেলেরা কী করতে চেয়েছিল?
উত্তর: তালা ভেঙে ভেতরের টাকা ও গহনা নেওয়া।
- লেখক কেন তালা ভাঙতে চায়নি?
উত্তর: এটি অন্যায় ও অনৈতিক কাজ মনে হয়েছিল।
- তেঁতুল গাছ সম্পর্কে গ্রামের মানুষের বিশ্বাস কী?
উত্তর: সেখানে ভূত থাকে।
- বাক্স কোথায় লুকানো হয়?
উত্তর: বাদলদের বাড়ির বিচুলিগাদায়।
- ছেলেরা গোপন মিটিং কোথায় বসায়?
উত্তর: ভাঙা নাটমন্দিরের কোণে।
- মিটিং ডাকার নির্দেশ কে দিয়েছিল?
উত্তর: বিধু।
- বাক্স ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হয়?
উত্তর: নৈতিকতা ও সততার কথা ভেবে।
- বিজ্ঞপ্তিতে কী লেখা হয়েছিল?
উত্তর: “আমরা একটি বাক্স কুড়িয়ে পেয়েছি। যার বাক্স তিনি রায়বাড়িতে খুঁজুন। ইতি: বিধু, সিধু, নিধু, তিনু।”
- বিজ্ঞপ্তি কোথায় লাগানো হয়েছিল?
উত্তর: নদীর ধারের বিভিন্ন গাছে।
- প্রথম ভুয়া দাবিদার কেন প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল?
উত্তর: বাক্সের বর্ণনা মিলেনি।
- দ্বিতীয় দাবিদারকে বিধু কেন ফিরিয়ে দেয়?
উত্তর: তার তথ্য বিশ্বাসযোগ্য ছিল না।
- বর্ষায় গ্রামে কী দুর্যোগ দেখা দেয়?
উত্তর: ভয়াবহ বন্যা।
- কোন এলাকার কাপালিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল?
উত্তর: অম্বরপুর চরের কাপালিরা।
- কাপালি লোকটি গ্রামে কেন এসেছিল?
উত্তর: চাকরির খোঁজে।
- বাক্সটি সে কোথা থেকে হারিয়েছে?
উত্তর: হাট থেকে ফেরার পথে।
- বাক্সে কী কী ছিল?
উত্তর: টাকা ও গহনা।
- বাক্সটির রং কী ছিল?
উত্তর: সবুজ।
- লেখক কেন হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে ওঠে?
উত্তর: বাক্সের বর্ণনা তার মনে পড়ার সঙ্গে মিল খেয়েছে।
- বিধু কেন সাক্ষী ডাকতে বলেছিল?
উত্তর: প্রমাণ রাখার জন্য।
- বাক্স ফেরত পেয়ে মালিকের প্রতিক্রিয়া কী ছিল?
উত্তর: আবেগে কান্না।
- লোকটি ছেলেদের কী বলে সম্বোধন করেছিল?
উত্তর: “আপনারা মানুষ না দেবতা?”
- বিধু কেন রসিদ লেখাতে বলেছিল?
উত্তর: ভবিষ্যতে প্রমাণ রাখতে।
- লেখকের বাবা কী কাজে ব্যস্ত ছিলেন?
উত্তর: জমিজমার হিসাব দেখতে।
- বাবা ছেলেদের আচরণ দেখে কী অনুভব করেন?
উত্তর: বিস্মিত ও প্রশংসিত।
- গল্পটির মূল শিক্ষা কী?
উত্তর: সততা ও মানবিকতার মূল্য সবচেয়ে বেশি।
- গল্পে সততার দৃষ্টান্ত কে স্থাপন করেছে?
উত্তর: বিধু ও তার বন্ধুরা।
- গল্পে মানবিকতার প্রকাশ কোথায় দেখা যায়?
উত্তর: বাক্সের মালিককে ফেরত দেওয়ার ঘটনায়।
- গল্পটি আমাদের কী ধরনের মানুষ হতে শেখায়?
উত্তর: সৎ, ন্যায়পরায়ণ ও মানবিক মানুষ।
সৃজনশীল প্রশ্ন- ১
আরিফ টেক্সি ক্যাব চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। একবার একজন আরোহীকে গন্তব্যে পৌঁছে দিয়ে সে বিশ্রাম নিচ্ছিল। সহসা গাড়ির ভিতরে দৃষ্টি পড়তে সে দেখতে পেল একটি মানিব্যাগ পড়ে আছে সিটের ওপর। ব্যাগে অনেকগুলো ডলার। কিন্তু ব্যাগে কোন ঠিকানা পাওয়া গেল না। সে সন্ধ্যা অবধি অপেক্ষা করল। নিরূপায় হয়ে সে পত্রিকা অফিসে গিয়ে সম্পাদককে একটি বিজ্ঞপ্তি ছাপিয়ে দেবার অনুরোধ জানায়।
ক. ‘পড়ে পাওয়া’ কী ধরনের রচনা ?
খ. ‘ওর মতো কত লোক আসবে’। বিধুর কথাটির অর্থ বুঝিয়ে লেখ ?
গ. উদ্দীপকের আরিফকে কোন যুক্তিতে বিধুদের সঙ্গে তুলনা করা যায় ? বুঝিয়ে লেখ।
ঘ. কলেবরে ক্ষুদ্র হলেও আরিফ চরিত্রটি ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূল সুরকেই ধারণ করে আছে-মূল্যায়ন কর।
সমাধান:
ক. ‘পড়ে পাওয়া’ কী ধরনের রচনা?
উত্তর: ‘পড়ে পাওয়া’ একটি শিশু কিশোরদের নৈতিকতা ও সততার গল্প বা শিশুসাহিত্যিক নৈতিক রচনা। গল্পে শৈশব, সততা, মানবিকতা ও নৈতিক শিক্ষার মূল ভাব ফুটে উঠেছে।
খ. ‘ওর মতো কত লোক আসবে’। বিধুর কথাটির অর্থ বুঝিয়ে লেখ।
উত্তর: বিধু এই কথায় বোঝাতে চেয়েছিল যে, হারানো বা পাওয়া জিনিসের জন্য অনেক মানুষ এসে দাবী জানাবে। কেউ প্রকৃত মালিক নাও হতে পারে, কিন্তু লোভে বা কৌতূহলে অনেক লোক জড়াবে। তাই সতর্ক ও বিবেচনাশীল হতে হবে।
গ. উদ্দীপকের আরিফকে কোন যুক্তিতে বিধুদের সঙ্গে তুলনা করা যায়? বুঝিয়ে লেখ।
উত্তর: আরিফও ‘পড়ে পাওয়া’ মানিব্যাগের সঠিক মালিক খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছে। যেমন বিধু ও তার বন্ধুরা সততার সঙ্গে বাক্সের প্রকৃত মালিক খুঁজেছিল, আরিফও পত্রিকা অফিসে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সমাধান খুঁজেছে। অর্থাৎ উভয়ই সততা ও নৈতিকতার পথ অনুসরণ করেছে, তাই আরিফকে বিধুর সঙ্গে তুলনা করা যায়।
ঘ. কলেবরে ক্ষুদ্র হলেও আরিফ চরিত্রটি ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূল সুরকেই ধারণ করে আছে — মূল্যায়ন কর।
উত্তর: আরিফের কলেবরে ছোট হওয়া সত্ত্বেও তার চরিত্রে নৈতিকতা, সততা ও দায়িত্ববোধ প্রকাশ পেয়েছে। তিনি পত্রিকা অফিসে গিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে হারানো জিনিসের প্রকৃত মালিক খুঁজতে চেয়েছেন। এটি গল্পের মূলভাব—পাওয়া জিনিস ফেরত দেওয়ার নৈতিক শিক্ষা ও মানবিকতা—কে বহন করে। তাই আরিফের চরিত্র গল্পের মূল সুরকেই ধারণ করেছে।
সৃজনশীল প্রশ্ন- ২
সন্ধ্যায় দেখা গেল, নিজেদের ছাগলের সাথে অতিরিক্ত একটি ছাগলও আথালে ঢুকছে। এশার নামাজ পার হয়ে গেল কিন্তু কেউ খোঁজ নিতে এল না। দাদু বললেন, না, না, চুপ করে থাকা ঠিক হবে না। এক কাজ কর, রফিক-শফিক বেরিয়ে পড়। প্রতিবেশী নাবিল আর তালিমকে সাথে নিয়ে দুজন দুদিকে যেও। মসজিদ থেকে চোঙ্গা নিয়ে গাঁয়ে ঘোষণা দিয়ে আস। কিছুক্ষণের মধ্যে দু-ভাই দাদুর পরামর্শ মতো বলতে লাগল, ভাইসব, একটি ছাগল পাওয়া গেছে। যাদের ছাগল তারা দয়া করে মতিন শিকদারের বাড়ি থেকে এসে নিয়ে যান।
ক. লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কোন ধরনের লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত ?
খ. ‘দুজনই হঠাৎ ধার্মিক হয়ে উঠলাম’। কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে ?
গ. রফিক-শফিকের চোঙ্গা ফোঁকার ঘটনাটি ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কোন ঘটনার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকের দাদু যেন ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূল চেতনারই প্রতিভূ। বিশ্লেষণ কর।
সমাধান:
ক. লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কোন ধরনের লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত?
উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানত শিশু-কিশোর সাহিত্যিক ও নৈতিক শিক্ষামূলক গল্পকার হিসেবে পরিচিত। তার লেখায় শৈশব, নৈতিকতা, সততা ও মানবিকতা ফুটে ওঠে।
খ. ‘দুজনই হঠাৎ ধার্মিক হয়ে উঠলাম’। কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: বাদল ও লেখকের অর্থাৎ দু’জনে প্রথমে লোভে পড়ে বাক্স থেকে টাকা বা গহনা নিতে চেয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করে তারা নৈতিকতা ও সততার কথা ভেবে অনৈতিক কাজ না করার সিদ্ধান্ত নেয়। এখানে ‘ধার্মিক হয়ে ওঠা’ বলতে বোঝানো হয়েছে—অন্যায় লোভ ছেড়ে সততার পথে চলা।
গ. রফিক-শফিকের চোঙ্গা ফোঁকার ঘটনাটি ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কোন ঘটনার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: রফিক-শফিক যখন হারানো ছাগল খুঁজে পেতে চোঙ্গা ফোঁকছে, তা ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের ছেলেরা বাক্সের মালিক খুঁজতে বিজ্ঞপ্তি লাগানো ও নদীর ধারের গাছে নোট দিয়ে খুঁজে নেওয়ার ঘটনার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
উভয় ঘটনাতেই মূল বিষয় হলো—পাওয়া জিনিসের প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা এবং সততার সঙ্গে ফেরত দেওয়ার প্রচেষ্টা।
ঘ. উদ্দীপকের দাদু যেন ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূল চেতনারই প্রতিভূ। বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: দাদু এই ঘটনায় সততা ও নৈতিকতার পথ দেখিয়েছেন—হারানো ছাগলকে ঠিকমত ফেরত দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এবং প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর প্রচার করিয়েছেন। এটি ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূল চেতনার সাথে পুরোপুরি মিল:
- পাওয়া জিনিসের সঠিক মালিককে ফেরত দেওয়ার নৈতিক শিক্ষা।
- নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধের গুরুত্ব।
- দাদু চরিত্রটি শিশুদের জন্য নৈতিক দিক নির্দেশক হিসেবে কাজ করেছে।





